কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫ এ ০২:১৫ PM

আমাদের অর্জনমসূহ

কন্টেন্ট: পাতা

আমাদের অর্জনমসূহ

০১। প্রতি ১০ বছর পর পর অন্যান্য জেলার ন্যায় ২০১৮ সালে দিনাজপুরে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক অনুষ্ঠিত হয় কৃষি শুমারি-২০১৮ যা কৃষি প্রধান বাংলাদেশ সম্পর্কে সার্থক ধারণা পাওয়া যায়।


০২। প্রতি ১০ বছর পর পর অন্যান্য জেলার ন্যায় ২০২২ সালে দিনাজপুরে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুারো কর্তৃক অনুষ্ঠিত হয়। জন শুমারী ও গৃহ গণনা ২০২২ যা সমগ্র বাংলাদেশের জনসংখ্যা কি পরিমাণ রয়েছে তার তথ্য এবং গৃহের পরিমাণ জানা যায়।


০৩। ২০১২ সালে মা ও শিশুর পুষ্টি জরিপ অনুষ্ঠিত হয় যা মায়ের ও শিশুর জীবনমান তাদের কি ধরনের পুষ্টি গ্রহণ করছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা পাওয়া যায়।


০৪। প্রতি ১০ বছর পর পর অন্যান্য জেলার ন্যায় ২০২৩ সালে দিনাজপুরে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুারো কর্তৃক অনুষ্ঠিত হয়। অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৩ যা দিনাজপুরসহ সারা বাংলাদেশের সকল সরকারী, আধা-সরকারী, বেসরকারী, স্বায়ত্বশাসিত ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডসম্পন খানার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়। যার দ্বারা তাদের জীবনমান, জীবনধারা ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।


০৫। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত হয় বস্তি শুমারি এর মাধ্যমে বস্তিবাসীর জীবন মান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।


০৬। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত হয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংক্রান্ত জরিপ যার মাধ্যমে দিনাজপুর জেলার দুর্যোগ পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।


০৭। ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত হয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক জরিপ। এর মাধ্যমে দিনাজপুর জেলায় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার্থীর সংখ্যা তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।


০৮। ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত হয় নারীর প্রতি সহিংসতা জরিপ । নারীদের প্রতি কি রকম অন্যায় অত্যাচার করা হয় তাদের ইচ্ছা অনিচ্ছার কতটুকু মূল্যায়ন করা হয় সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।


০৯। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত হয় খানার আয় ব্যায় সম্পকিত জরিপ । এর মাধ্যমে খানা দৈনন্দিন কি পরিমাণ খাবার খায় তাদের আয় রোজগার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।


১০। ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত হয় প্রথমবারের ন্যায় সরকার সকল খানার ডাটাবেইসের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে সে লক্ষ্যে ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইস এর কাজ শুরু হয় সেই সূত্র মতে দিনাজপুরে জেলায় ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইস অত্যন্ত সফলতার সাথে সমাপ্ত হয়।


১১। ২০২৫ সালে মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (MICS-7) রাইন্ড-০৭ এর মাধ্যমে মহিলা ও শিশুর স্বাস্থ্য, পুষ্টি, সুরক্ষা সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়। পাশাপাশি পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যবিধি ও শিক্ষা সম্পর্কেও ধারনা পাওয়া যায়। যা এসডিজি (SDGs) এর গুরুত্বপূর্ণ ইন্ডিকেটর হিসেবে করবে।


১২। এছাড়া দিনাজপুর জেলায় এসভিআরএস প্রকল্পের ৪৭ টি পিএসইউ চালু রয়েছে। যার মাধ্যমে দিনাজপুর জেলার জন্ম, মৃত্যু, বিবাহ, তালাক, আগমন, বর্হিগমন, জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি ও প্রতিবন্ধী সংখ্যা কি রকম আছে তার মাধ্যমে সমগ্র দিনাজপুর জেলার একটি চিত্র ফুটে উঠে।


১৩। প্রতি মাসে ‍ফুড ও নন ফুড আইটেম সংক্রান্ত জরিপের মাধ্যমে মুল্যস্ফীতির তথ্য প্রদান করা হয়, যার মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।


১৪। এছাড়া ০৬ টি প্রধান এবং ১৪০ টি অপ্রধান ফসলের হিসাব দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে বিবিএস ঢাকা হেড অফিসে প্রেরণ করা হয় যার ফলে দিনাজপুর জেলায় কি পরিমাণ ফসল উৎপাদন করা হয় তা পরিসংখ্যান পদ্ধতির মাধ্যমে জানা যায়।



ফাইল ১
ফাইল ২

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ২

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন